BNA Logo

বাংলাদেশ নার্সেস এসোসিয়েশন (বিএনএ)

ময়মনসিংহ জেলা শাখা

সেবা, একতা এবং অগ্রগতি

নার্সিং পেশার মানোন্নয়নে আমরা ঐক্যবদ্ধ।

বিএনএ ময়মনসিংহ-এ স্বাগতম

আমরা ময়মনসিংহ জেলার সকল নার্সদের কল্যাণে নিবেদিত।

📰 সর্বশেষ সংবাদ:
🔹আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবস ২০২৬ উপলক্ষে বিএনএ ময়মনসিংহ জেলা শাখার নানা আয়োজন 🔹 🔹 শোক বার্তা - মমেকহা’র সিনিয়র স্টাফ নার্স মনিরুজ্জামান ২৬/০৪/২০২৬ খ্রি. তারিখ দুপুর ২.০০ ঘটিকায় ইন্তেকাল করেন। 🔹 🔹নার্স-মিডওয়াইফদের ০৮ দফা বাস্তবায়নে ৩০ নভেম্বর ২০২৫ সকাল ১০ ঘাটিকা হতে ১২ ঘটিকা পর্যন্ত প্রতিকী শাট ডাউন পালন করেছে ময়মনসিংহ মেডিকেলসহ ময়মনসিংহের সকল উপজেলার নার্স রা 🔹২৭ নভেম্বর ২০২৫, সমস্ত স্বাস্থ্য সেবা ও নার্সিং ও মিডওয়াইফারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কালো ব্যাজ ধারণ 🔹২৬ নভেম্বর ২০২৫, কালো ব্যাজ ধারণ পূর্বক প্রতিষ্ঠান প্রধানের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান ধর্মঘট 🔹২৫ নভেম্বর ২০২৫, কালো ব্যাজ ধারণ পূর্বক প্রতিষ্ঠানের সামনের রাজপথে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল 🔹 ২৪ নভেম্বর ২০২৫, জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রদান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান। 🔹 ২২ নভেম্বর ২০২৫, নার্স-মিডওয়াইফ মহা সমাবেশের ডাক। 🔹 ৩ নভেম্বর ২০২৫, ৫৩ তম বিএনএ দিবস উদযাপিত। এদিনটি ময়মনসিংহ জেলা বিএনএ নানান আয়োজনের মধ্যে দিয়ে পালন করে। 🔹 নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর বিলুপ্তির প্রতিবাদে ময়মনসিংহ জেলা বিএনএ এর মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত | 🔹 নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর বিলুপ্তির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় বিএনএ সহ সারা দেশের জেলা বিএনএ এর মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত |

আমাদের সম্পর্কে

বাংলাদেশ নার্সেস এসোসিয়েশন (বিএনএ), ময়মনসিংহ জেলা শাখা একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক এবং সম্পূর্ণ পেশাজীবী সংগঠন। আমরা সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও আধুনিক নার্সিং সেবার সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য প্রশিক্ষণ, সেমিনার ও সহযোগিতার ব্যবস্থা করি।

ইতিহাস

১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর “Trained Nurses Association of Pakistan” থেকে পৃথক হয়ে বাংলাদেশের নার্সরা নিজেদের একটি স্বতন্ত্র সংগঠন গঠন করে—যার নাম রাখা হয় বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএনএ)। বিএনএ একটি জাতীয়, পেশাগত, অ-সরকারি ও অ-রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৮৬০ সালের Society Registration Act (XXI) অনুযায়ী ১৯৭৩ সালের নভেম্বর মাসে নিবন্ধিত হয় (১৯৭৮ সালে সংশোধিত)।

১৯৭৪ সালে বিএনএ Commonwealth Nurses Federation (CNF)-এর সদস্যপদ লাভ করে। ১৯৭৯ সালে সংগঠনের কল্যাণ তহবিলের জন্য একটি সংবিধান প্রণয়ন করা হয়। ১৯৮২ সালে বিএনএ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) আয়োজিত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক সম্মেলনে বাংলাদেশের হয়ে International Council of Nurses (ICN)-কে প্রতিনিধিত্ব করে এবং পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে বিএনএ আনুষ্ঠানিকভাবে ICN-এর সদস্যপদ অর্জন করে।

লক্ষ্য

বাংলাদেশের নাগরিকদের কল্যাণের জন্য জাতি, ধর্ম, বর্ণ, রাজনীতি বা সামাজিক অবস্থান নির্বিশেষে সর্বোচ্চ মানসম্পন্ন নার্সিং সেবা প্রচার ও বজায় রাখা।

নার্সিং পেশা, নার্সিং শিক্ষা, নার্সদের সামাজিক ও আর্থিক কল্যাণ এবং সংশ্লিষ্ট যেকোনো বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়নে সহায়তা ও প্রচার করা।

উদ্দেশ্য

১। সকল ধরনের নার্স, মিডওয়াইফ এবং হেলথ ভিজিটরদের পেশাগত স্বার্থ রক্ষা ও উন্নয়ন করা।

২। নার্সিং প্র্যাকটিসের উচ্চ মান বজায় রাখা; নিরাপদ ও নৈতিক কর্মপরিবেশ প্রচার করা; নার্সদের স্বাস্থ্য ও সুস্থতা নিশ্চিত করা।

৩। নার্সিং শিক্ষা ও সেবার ক্ষেত্রে বর্তমান উন্নয়ন এবং নতুন তথ্য প্রদানকারী জার্নাল/পত্রিকা/ম্যাগাজিন প্রকাশ করা।

৪। বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিল, সরকার বা অন্যান্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে নার্সিং পেশাকে সমগ্রভাবে উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের উপায় ও কৌশল প্রণয়ন করা।

সদস্যপদ

তিন ধরনের সদস্য থাকবেন – পূর্ণ সদস্য (Full members), সম্মানিত সদস্য (Honorary members), এবং সহযোগী সদস্য (Associate members)
পূর্ণ/ভোটাধিকারী সদস্য (Full/Voting Members):
বাংলাদেশ নার্সিং কাউন্সিলে নিবন্ধিত সকল পেশাদার নার্স, যারা অ্যাসোসিয়েশনের আনুষ্ঠানিকতা অনুসরণ করবেন, পূর্ণ সদস্য হতে পারবেন। আবেদন www.bna.org.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বা অ্যাসোসিয়েশন প্রদত্ত নির্দিষ্ট ফর্মের মাধ্যমে করা যাবে। প্রতিটি আবেদনকারীকে অ্যাসোসিয়েশন নির্ধারিত ভর্তি ফি পরিশোধ করতে হবে। যে কোনো পূর্ণ সদস্য যদি অ্যাসোসিয়েশনের নির্ধারিত এককালীন পরিমাণ পরিশোধ করে, তাহলে তিনি জীবন সদস্য (Life Member) হবেন।
সহযোগী সদস্য (Associate Members):
কমিউনিটি হেলথ ভিজিটর, মিডওয়াইফ, FWV, কমিউনিটি প্যারামেডিকস যারা বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিলে নিবন্ধিত, এবং স্বীকৃত কলেজ/ইনস্টিটিউটের মিডওয়াইফারি ও পাবলিক হেলথের শিক্ষার্থী নার্সরা সহযোগী সদস্য হতে পারবেন।
সম্মানিত সদস্য (Honorary Members):
যে কোনো ব্যক্তি যিনি অসাধারণ অবদান রেখেছেন, তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটের মাধ্যমে সম্মানিত সদস্যপদ দেওয়া যেতে পারে।